সৌদি আরবের ইফতার

0
97

রমজান মাস রহমতের মাস। পুরো রমজান মাস জুড়ে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে প্রত্যেক মুসলিম আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে। আর সারাদিন সিয়াম সাধনার পর একজন রোজাদারের সবচেয়ে আনন্দের মুহূর্ত ইফতারের সময়। ইফতারির মাধ্যমে একজন রোজাদার তার রোজা শেষ করেন। তবে সব খানে বা সব দেশে কিন্তু ইফতার এক না।

ইফতারির আইটেম নিয়ে সারা বিশ্বে রয়েছে ভিন্নতা। তবে কিছু কিছু খাবার সব দেশেই ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে অন্যতম খেজুর। ইফতারির টেবিলে খেজুর থাকবে না সেটা চিন্তাই করা যায় না। রাসুল হযরত মুহাম্মদ (সা.) খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করতেন নতুবা কয়েক ঢোক পানি পান করতেন। এখনো ইফতার শুরু হয় পানি বা খেজুর দিয়ে। কিন্তু সময়ের বিবর্তনে মুসলিম প্রধান দেশগুলোতে ইফতার উৎসবে পরিণত হয়েছে। আর এর মাধ্যমেই ইফতারিতে যুক্ত হয়েছে বিচিত্র ধরনের খাবার।

আমাদের দেশে ইফতারের সময় সাধারণত বুট-মুড়ি কিংবা ভাজা-পোড়া খাবারই বেশি পছন্দ করে ছোট বড় সব বয়সের মানুষ। তবে খাবারে তালিকায় থাকে নানা মৌসুমি ফলও। আর শরবত তো থাকেই। এছাড়াও অনেক সময় ভারি খাবারও থাকে ইফতার আয়োজনে।

আমাদের দেশের মত অন্যান্য মুসলিম দেশগুলোতেও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়েই ইফতার করেন রোজাদাররা। তবে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব এই আয়োজনের শীর্ষে থাকে সর্বদা। এক্ষেত্রে আমরা উল্লেখযোগ্য মুসলিম দেশ হিসেবে সৌদি আরবের ইফতার টেবিলে কী থাকে তা দেখে নেই:



সৌদি আরবের ইফতারে যা থাকেঃ

বিশ্বের সর্ববৃহৎ ইফতার আয়োজন করা হয় সৌদি আরবে। মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববিতে বিশ্বের সর্ববৃহৎ এ আয়োজন করা হয়। এখানে গড়ে প্রতিদিন প্রায় লাখো মানুষ একসঙ্গে ইফতার করে থাকেন। এখানকার ইফতারে থাকে নানা ধরনের মুখরোচক খাবার। কোনাফা, ত্রোম্বা, বাছবুচাণ্ডর নামক নানা রকম হালুয়া এ খাবার-দাবারের অংশবিশেষ।

এ ছাড়া রয়েছে সাম্বুচা নামক এক ধরনের খাবার, যা দেখতে ঠিক সমুচার মতো, এটি মাংসের কিমা দ্বারা তৈরি। এটির আরেকটি বিশেষত্ব হচ্ছে, এতে কোনো মরিচ থাকে না। এ ছাড়া থাকে সালাতা, যা হচ্ছে এক প্রকার সালাদ। এ ছাড়া থাকে সরবা, জাবাদি দই, লাবান, খবুজ (ভারী ছোট রুটি) বা তমিজ (বড় রুটি)।

এছাড়াও খেজুরের নানা রকম লোভনীয় আইটেম তো রয়েছেই। খেজুরের বিস্কুট, পিঠা ইত্যাদিও থাকে তাদের এ আয়োজনে।