হাটহাজারীতে ৩ ইট ভাটাকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা

0
38

হাটহাজারী প্রতিনিধিঃ

হাটহাজারীতে ছাড়পত্র ছাড়া ইট ভাটা পরিচালনা করার অপরাধে তিনটি ইট ভাটাকে মোট সাড়ে চার লক্ষ টাকা জরিমান করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম অঞ্চল। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারী) উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের চারিয়া এলাকার ইট ভাটাতে পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ জরিমানা করেন। জানা গেছে, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী ২ / ৩ ফসলি আবাদি কৃষি জমি, আবাসিক এলাকা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট বাজার থেকে কমপক্ষে এক কিলোমিটার এবং গ্রামীন বা ইউনিয়ন পরিষদ রাস্তা থেকে অন্তত অর্ধ কিলোমিটারের মধ্যে ইটভাট স্থাপন করা যাবে না। অথচ হাটহাজারীর চারিয়া এলাকাতে এ ধরনের নিয়ম ভঙ্গ করে স্থাপন করা হয়েছে বেশ কয়েকটি ইট ভাটা। খবর পেয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত এলাকার কয়েকটি ইট ভাটাতে অভিযান চালান। এসময় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষন আইন ১৯৯৫ এর ধারা ৭ এর আলোক পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই ভাটা পরিচালনার অপরাধে চারিয়ার কাজী বিক্স ম্যানু., একই এলাকার শাহ আমানত ব্রিক্স এবং কাদেরীয়া ব্রিক্স নামক ইট ভাটা কে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা করে মোট চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা (৪,৫০,০০০/-) জরিমানা করা হয়। এবং পরিবেশ আইন মেনে ভাটা পরিচালনার না করলে পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে সতর্কও করা হয়। গোপন একটি সূত্রে জানা গেছে, বিশেষ করে ওই এলাকার ভাটা মালিকরা এতোদিন আইনকে তোয়াক্কা না করেই কোনো ধরনের ছাড়পত্র ছাড়াই দাপটের সাথে ইট ভাটা চালাতে পারলেও পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের পরিচালক হয়ে মোহাম্মদ মোয়াজ্জম হোসাইন আসার পর থেকে সে পরিস্থিতি অনেকটা পাল্টে গেছে। এখন অনেক ভাটা মালিকরা আতংকের মধ্যে আছে বলেও জানায় সূত্রটি। স্থানীয় ভুক্তভোগীরা, অভিযানের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রাম কে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এ এলাকায় প্রায় ২৩/২৪ টির মতো ইট ভাটা আছে। ঐ এলাকায় বণাঞ্চল ঘেঁষে গড়ে উঠাগুলো সহ প্রতিটি ইট ভাটাতে অভিযান চালিয়ে অবৈধ ইট ভাটাগুলো ধ্বংস করে দিয়ে দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দেয়ার জোর দাবীও জানান তারা। পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের পরিচালক মোহাম্মদ মোয়াজ্জম হোসাইন অভিযানের সত্যতা স্বীকার করে গণমাধ্যমকে জানান, পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।