হিমাচলের রূপ দেখতে ঘুরে আসুন তিব্বতি গুম্ফা

0
95

শীতে হিমাচলের রূপ দেখতে চাইলে ঘুরে আসুন তিব্বতি গুম্ফা থেকে। সেখানে এখনও গুম্ফায় ভিড় জমায় ভ্রমণপিপাসু মানুষ। সবুজ চাদরে মোড়া ঢেউ খেলানো মাঠে দাঁড়িয়ে আটটি বৌদ্ধ স্তূপ। সেখানে রোদ এসে পড়ে, দাগ রেখে যায় বৃষ্টিরও।

সেখানে রয়েছে হিমাচলের এক ভিন্নরূপ। আপাত রুক্ষ প্রকৃতি আর অনুপম উপত্যকা মন টানবেই।

আসুন জেনে নিই ট্রান্স হিমালয়ে নির্মিত তিব্বতি গুম্ফা সম্পর্কে-

ট্রান্স হিমালয়ের হিমেল হাওয়া জড়ানো গ্রামে নির্মিত গুম্ফাগুলো দেখতে খুবই সুন্দর। ভগবান বুদ্বের নানা জীবনগাঁথার অঙ্কিত রূপের বাহার অপূর্ব। তিব্বতের থোলিং ও লাদাখের হেমিজ গুম্ফার পরেই টাবো গুম্ফা। ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের তালিকায় টাবো গুম্ফার নাম উঠে এসেছে।

এই গুম্ফার মাটির দেয়ালে ভেষজ রঙে ভগবান বুদ্বের জাতক কথামালার বাহারে শুধুই বিস্ময়। সুংলাখাং গুম্ফা, কালচে ধূসর পাহাড়ের গাঘেঁষা ধানকার মনাস্ট্রি, পো গুম্ফা উল্লেখযোগ্য।

তিব্বতিশৈলীতে নির্মিত ভগবান বুদ্ধের নানান শিষ্য এবং বিভিন্ন দেবদেবীর মূর্তি, মুখোশ, নানা প্রাচীন লিপিসংবলিত দুষ্প্রাপ্য পুঁথি, ধর্মীয় পোশাকসংবলিত ঝালমা মিউজিয়ামটি দেখে নিতে ভুলবেন না। সেঞ্চ নামগিয়ালের সময়ে নির্মাণ শেরখাং গোল্ডেন টেম্পলটি অসাধারণ। যার অন্দরমহলে রয়েছে কাঠের গুম্ফা। গর্ভগৃহের বিশালাকার বুদ্ধমূর্তি দেখে নিন। সব মিলিয়ে টাবোতে আজও ছোট্ট তিব্বতকে খুঁজে পাওয়া যায়।

কীভাবে যাবেন

স্পিতি নদীর বাঁ দিকের গ্রামের নাম টাবো। নাকো থেকে টাবোর দূরত্ব ৬৫ কিমি।

কোথায় থাকবেন:

এখানে থাকার জন্য রয়েছে প্রাইভেট হোটেল। মৈত্রেয়ী গেস্ট হাউস (১০৯০৬-২২৩৩২৯), ভাড়া ১০০০-১২০০ টাকা। হোটেল সিদ্ধার্থ (০৯৪১৮৮১৭৭৬১) ভাড়া ৯০০-১,৫০০ টাকা। টাইগার ডেন (০৯৪৩৩১২০৯৯৭) ভাড়া ১,২৫০-১,৬৫০ টাকা। মনাস্ট্রি গেস্ট হাউস (১০৯০৬-২২৩৩১৫) ভাড়া ৪০০-১,১০০ টাকা।