১১ জুলাইকে “জাতীয় নিরাপদ যাত্রীসেবা দিবস” পালনের দাবী

0
42

দেশের সর্ববৃহৎ সড়ক দুর্ঘটনা মিরসরাই ট্রাজেডিতে নিহত ৪৪ স্কুল ছাত্রের স্মৃতিকে স্বরনীয় করে রাখতে ১১ জুলাইকে জাতীয় নিরাপদ যাত্রীসেবা দিবস পালনের দাবী জানিয়েছে যাত্রী অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ।
আজ ১০ জুলাই গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সামসুদ্দীন চৌধুরী এই দাবী জানান।
বিবৃতিতে বলা হয়, ২০১১ সালের ১১ জুলাই বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিব ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলা দেখে বাড়ী যাওয়ার সময় চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ের বড়তাকিয়া-আবুতোরাব সড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুল ছাত্রসহ ৪৫ জনের মৃত্যু হয়। দেশ বিদেশে আলোড়ন সুষ্টিকারী এই সড়ক দুর্ঘটনায় শোকাহত পরিবারগুলোকে সান্তনা দিতে ছুটে যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, খালেদা জিয়া, সাবেক রাষ্ট্রপতি বদরুদ্দৌজা চৌধুরী, তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনসহ বিভিন্ন দেশের কুটনৈতিকরা। দেখতে দেখতে পার হলো আটটি বছর। এভাবে প্রতিদিন সড়কে ঝড়ে যাচ্ছে অসংখ্য তাজা প্রাণ।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সামসুদ্দীন চৌধুরী বলেন, ১১ জুলাইর মিরসরাই ট্র্যাজেডি শুধু দেশের ইতিহাসে নয় বিশ্ব কাঁপানো একটি দিন। এই দিনটিকে আমরা আমাদের মাঝে লালন করে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের পথ চলায় সতর্কতা অবলম্বন করব। সড়কে শৃংখলা ও যাত্রী সাধারণকে দুর্ঘটনামুক্ত নিরাপদ যাত্রী সেবা প্রদানের লক্ষ্যে এবং ভয়াবহ এই সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত স্কুল ছাত্রদের স্মৃতি স্বরনীয় করে রাখতে ১১ জুলাইকে নিরাপদ যাত্রী সেবা দিবস হিসেবে পালন করা হোক। এই দুর্ঘটনায় ৪৪ জন স্কুল ছাত্র মারা যায় যা দেশের সর্ববৃহৎ সড়ক দুর্ঘটনা। এ শূন্যতা কখনো পূরন হওয়ার নয়। আমরা মনে করি যে দেশের প্রধানমন্ত্রী নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মাসেতুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারে সে জননেত্রী দেশের ১৭ কোটি যাত্রীদের সেবা প্রদানের জন্য বছরে এক দিন নিরাপদ যাত্রীসেবা দিবস হিসেবে পালন করার নির্দেশনা প্রদান করবেন।
বিবৃতিতে, এই ঘটনায় আবু তোরাব বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৩৪ জন, আবু তোরাব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনজন, প্রফেসর কামাল উদ্দিন চৌধুরী কলেজের দুইজন, আবু তোরাব ফাজিল মাদরাসার দুইজন, এবং আবু তোরাব এস এম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুইজন শিক্ষার্থী নিহতদের মাগফিরাত কামনা করা হয়। শোকাহত স্বজনদের সমবেদনা জানান সংগঠনটি।