৭ নভেম্বর পালন করলো বিএনপি

0
77

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি:

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর আধিপত্যবাদী চক্রের ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার দৃঢ় প্রত্যয়ে সিপাহী-জনতা রাজপথে নেমে এসেছিল। ৩ থেকে ৬ নভেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত দেশে এক শ্বাসরুদ্ধকর অনিশ্চিত অবস্থা বিরাজ করছিল। হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছিল আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব। সেদিন সিপাহী জনতার ঐক্যবদ্ধ বিপ্লবের মাধ্যমেই রক্ষা পায় সদ্য অর্জিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা। নস্যাৎ হয়ে যায় স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও দেশবিরোধী সকল ষড়যন্ত্র। ক্যান্টনমেন্টের বন্দিদশা থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীরউত্তমকে মুক্ত করে বিপ্লবী সিপাহীরা। তাদের বিপ্লবের মাধ্যমে আধিপত্যবাদ, একনায়কতন্ত্র ও একদলীয় শাসনের অবসান ঘটেছিল।

তিনি আজ ৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে নাসিমন ভবনস্থ দলীয় কার্যালয়ের মাঠে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন। এই দিনটি উপলক্ষে মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে সকালে ষোলশহরস্থ বিপ্লব উদ্যানে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

আলোচনা সভায় ডাঃ শাহাদাত হোসেন আরো বলেন, বর্তমানে আধিপত্যবাদী শক্তির তাবেদার একদলীয় সরকারের দু:শাসনে দেশের মানুষ নির্যাতিত। গণতন্ত্রকে দেয়া হয়েছে নির্বাসনে। মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়েছে। সরকারি দল ছাড়া অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মকান্ড এক রকম নিষিদ্ধ করা হয়েছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা সাজানো মামলায় সাজা দিয়ে কারাবন্দি করে রেখেছে। আইন আদালত, গণমাধ্যম সবই সরকারের নিয়ন্ত্রণে। বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে নিতে দেশের প্রধান বিচারপতিকে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে। তাই ৭ নভেম্বরের চেতনায় সকল জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে গণতন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত করে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে আনতে হবে।

সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, বর্তমানে আবারো বিদেশি শক্তির ক্রীড়নক সরকার রাষ্ট্রক্ষমতাকে জোর করে আঁকড়ে ধরেছে। সরকারের নতজানু নীতির কারণেই দেশের সার্বভৌমত্ব দিনের পর দিন দুর্বল হয়ে পড়েছে। একতরফা ভোটারবিহীন নির্বাচনে দেশের গণতন্ত্র আজ মৃতপ্রায়। বর্তমান সরকার ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করতে বিরোধী দলের ওপর চালাচ্ছে দলন নিপীড়ন। লাখ লাখ নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলায় জেলে ঢুকিয়ে সরকার সারাদেশকে কারাগারে পরিণত করেছে। মিডিয়ার ওপরও চলছে দলন-নির্যাতন। দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে।

বিএনপির সাংগঠনিক মোঃ কামরুল ইসলামের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা এ আজিজ, মোঃ মিয়া ভোলা, এড্ আবদুস সাত্তার, নাজিমুর রহমান, ইকবাল চৌধুরী, এস এম আবুল ফয়েজ, জাহিদুল করিম কচি, কাজী বেলাল উদ্দীন, শাহ আলম, ইস্কান্দার মির্জা, আর ইউ চৌধুরী শাহীন, ইয়াসিন চৌধুরী লিটন, আবদুল মান্নান, জাহাঙ্গীর আলম দুলাল, মঞ্জুর আলম মঞ্জু, আনোয়ার হোসেন লিপু, শাহেদ বক্স, শামসুল হক, গাজী মোঃ সিরাজ উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক মনজুর আলম চৌধুরী মনজু, সহসাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, শিহাব উদ্দিন মুবিন, সম্পাদকবৃন্দ এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম চৌ:, ফাতেমা বাদশা, এইচ এম রাশেদ খান, হামিদ হোসেন, ডা. এস এম সরওয়ার আলম, হেলাল চৌধুরী, ইয়াকুব চৌধুরী, জিয়া উদ্দিন খালেদ চৌধুরী, আবদুল বাতেন, মনজুর রহমান চৌধুরী, মোশাররফ হোসেন ডেপটি, কাউন্সিলর মো. আজম, ড. নুরুল আবচার, নগর বিএনপির সহসম্পাদকবৃন্দ এ কে এম পেয়ারু, আবদুল হালিম স্বপন, রফিকুল ইসলাম, মো. ইদ্রিস আলী, খোরশেদ আলম কুতুবী, জেলী চৌধুরী, আজাদ বাঙালী, বেলায়েত হোসেন বুলু, আবু মুসা, শফিক আহমদ, আবুল খায়ের মেম্বার, আবদুল হাই, আলী আজম, সালাহ উদ্দিন লাতু, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ জাকির হোসেন, জাহাঙ্গির আলম, হাজী নুরুল হক, শাহনেওয়াজ চৌধুরী মিনু, মনিরুজ্জামান টিটু, মনিরুজ্জামান মুরাদ, নগর সদস্য ইউসুফ সিকদার, জাকির হোসেন, আলী ইউসুফ, শাহেদা বেগম, মো. ইলিয়াস, জমির আহমেদ, এস এম মফিজ উল্লাহ, হাজী মো. ইলিয়াছ, জমির আহমেদ, শরীফুল ইসলাম, মো. হারুন, ফারুক আহমেদ, হাজী মো. মহসিন, আলাউদ্দিন আলী নূর, মো. রফিক চৌধুরী, রাসেল পারভেজ সুজন, ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইয়াকুব চৌধুরী নাজিম, জাহিদ উল্লাহ রাশেদ, হাজী মো. এমরান, আবু ফয়েজ, সিরাজুল আলম মুনসি, মো. হাসান, সৈয়দ আবুল বশর, কামরুল ইসলাম, মো. হাসান, মনজুর কাদের, ফরিদুল আলম চৌধুরী, মনজুর মিয়া, নূর হোসেন নুরু, মামুন আলম, এস এম রব, ইকবাল হোসেন সংগ্রাম, নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, আবু সফিয়ান, আসাদুজ্জামান দিদার, জসিম উদ্দিন চৌধুরী, আমান উল্লাহ আমান, এরশাদ হোসেন, জিয়াউর রহমান জিয়া, জমির উদ্দিন নাহিদ, তানভীর মল্লিক, আসাদুর রহমান টিপু, মো. নওশাদ, শিব্বির আহমেদ, আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি:
চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহবায়ক আবু সুফিয়ান বলেছেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সৈনিক-জনতা রাজপথে নেমে এসেছিল জাতীয় স্বাধীনতা সুরক্ষা ও হারানো গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের দৃঢ় প্রত্যয় বুকে নিয়ে। স্বাধীনতা-উত্তর রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা, তৎকালীন ক্ষমতাসীন মহল স্বাধীনতাকে বিপন্ন করে আধিপত্যবাদী শক্তির তাবেদারীতে দেশকে ঠেলে দিয়েছিল। আর এটি করা হয় শুধুমাত্র নিজেদের ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার জন্য। সেজন্য মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে হত্যা করে একদলীয় বাকশালের বিভীষিকাময় শাসন চালু করা হয়। বাকশালী সরকার ফ্যাসিবাদী পন্থায় মানুষের ন্যায়সংগত অধিকারগুলোকে হরণ করে।

তিনি আজ ৭ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) সকালে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে ষোলশহরস্থ বিপ্লব উদ্যানে পুস্পস্তবক অর্পণকালে এ কথা বলেন

তিনি আরো বলেন, ৩ নভেম্বর কুচক্রীরা স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করে। এই অরাজক পরিস্থিতিতে ৭ নভেম্বর দেশপ্রেমিক সিপাহী জনতার মিলিত বিপ্লবে জিয়াউর রহমান মুক্ত হন। সেদিন সিপাহী জনতা যেভাবে শহীদ জিয়াকে মুক্ত করেছিল, ৭ নভেম্বরের চেতনায় স্বৈরচারের বন্দিদশা থেকে বেগম খালেদা জিয়াকেও সেভাবে মুক্ত করতে হবে।

পুস্পস্তবক অর্পণকালে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আলী আব্বাস, সদস্য সচিব মোস্তাক আহমেদ খান, আহবায়ক কমিটির সদস্য অধ্যাপক শেখ মহিউদ্দিন, এনামুল হকএনাম, এড, ইফতেখার হোসেন চৌধুরী মহসিন, মনজুর উদ্দিন চৌধুরী, কামরুল ইসলাম হোসাইনী, নাজমুল মোস্তফা আমিন, চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান, জামাল হোসেন,বদরুল খায়ের চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান, মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, মফজল আহমেদ চৌধুরী, লায়ন হেলাল উদ্দিন,নুরুল কবির, সিরাজুল ইসলাম সওদাগর, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, মঈনুল আলম ছোটন জিয়াউদ্দিন আশফাক, জসিম উদ্দিন, জেলা কৃষকদলের আহবায়ক সৈয়দ সাইফু উদ্দিন,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সাইফুদ্দিন সালাম মিটু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ শহীদুল আলম শহীদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহসিন, জেলা যুবদলের যুগ্ন সম্পাদক মোঃ মোজ্জামেল হক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুর কবির প্রমূখ।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল:
৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে আজ ৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত ষোলশহরস্থ ঐতিহাসিক বিপ্লব উদ্যানে পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এতে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দিপ্তীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ’র পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন নগর যুবদল নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক সিপাহী বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের হারানো গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সিপাহী ও জনতা মিলে ক্যান্টেমেন্টের বন্দিদশা থেকে স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীরউত্তমকে মুক্ত করেছিলেন। আজ দেশের এ ক্রান্তিলগ্নে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় অণুপ্রাণিত হয়ে ক্ষমতা লিপ্সু চক্রের কারাগার থেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করে তারুণ্যের অহংকার দেশনায়ক তারেক রহমানকে স্বদেশে ফিরিয়ে এনে স্বৈরাচারের কবল থেকে অচিরেই রাষ্ট্রক্ষমতা ছিনিয়ে নেবে জাগ্রত যুব সমাজ।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নগর যুবদলের সহ-সভাপতি আজমর হুদা রিংকু, এস এম শাহ আলম রব, মো. শাহেদ আকবর, ফজলুল হক সুমন, মোহাম্মদ ইলিয়াছ, আবদুল গফুর বাবুল, সাহাব উদ্দিন হাসান বাবু, মোহাম্মদ মুছা, নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, আবু সুফিয়ান, পাঁচলাইশ থানা যুবদলের আহবায়ক মোহাম্মদ আলী সাকি, যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল পারভেজ, মো. সেলিম উদ্দিন রাসেল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক বাদশা, রাজন খান, ওমর ফারুক, হেলাল হোসেন, সহ-সাধারণ সম্পাদক আসাদুর রহমান টিপু, ওসমান গণি, শাহজালাল পলাশ, জাফর আহমদ খোকন, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য নূর হোসেন উজ্জ্বল, আজিজুল হক মাসুম, আলাউদ্দিন, মোহাম্মদ আলী, এনামুল হক এনাম, এস এম বখতেয়ার উদ্দিন, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, দিদারুল আলম, আসাদুজ্জামান রুবেল, সহ-সম্পাদক কামাল উদ্দিন, মনোয়ার হোসেন মানিক, জিয়াউল হক মিন্টু, মো. জহিরুল ইসলাম জহির, মো. মনজুর আলম, মো. হাসান, হামিদুল হক, হাফেজ কামাল উদ্দিন, এস এম ফারুক, ইলিয়াছ হাসান মঞ্জু, আশ্রাফ উদ্দিন, সিরাজ সিকদার, দেলোয়ার হোসেন, ওমর ফারুক স্বপন, আবু আহমেদ মিয়া, গুলজার হোসেন মিন্টু, ইদ্রিস আলম, আরিফ হোসেন, শেখ কামাল আলম, মো. জসিম, আনোয়ার হোসেন, নগর যুবদলের সদস্য লতিফুর বারী সুমন, কলিম উল্লাহ, আবদুল করিম, শওকত খান রাজু, মনজুর আলম মঞ্জু, মোর্শেদ কামাল, শাহেদ হোসেন খান পারভেজ, ইউনুস মুন্না, মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী, আবু বক্কর বাবু, মো. সাদেক, এস এম শাহবাজ, মো. হাসান, মো. ইউনুস, ফয়সল হোসেন মানিক, জহিরুল ইসলাম, মেহেদী হাসান প্রমুখ।