পেকুয়ায় যুবলীগ সভাপতির বাড়িতে সন্ত্রাসীদের হামলা, আহত-১

0
16

পেকুয়া প্রতিনিধি: কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার রাজাখালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রিয়াজ খান রাজু ও তার চাচার বাড়িতে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় যুবলীগ সভাপতির চাচাতো ভাই আবুল কাশেমের ছেলে মুহাম্মদ ইদ্রিসকে (২৯) কুপিয়ে আহত করে সন্ত্রাসীরা। সোমবার দিনগত রাত দেড়টার দিকে উপজেলা রাজাখালী ইউনিয়নের রব্বতআলী পাড়াস্থ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহত মুহাম্মদ ইদ্রিসকে পেকুয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে চিকিৎসা দিচ্ছে পরিবারের লোকজন। আহত মুহাম্মদ ইদ্রিস বলেন, রাত ১১ টার দিকে রাজাখালীর সবুজ বাজারস্থ আমার মোবাইল সার্ভিসিংয়ের দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যায়। প্রচুর গরমে বাইরে হাটতে বের হয়ে দেখতে পায় রাজাখালীর টেকঘোনা এলাকার ছৈয়দুল হকের ছেলে নেজাম উদ্দিন, রফিকের ছেলে মানিক, ছৈয়দ মিয়ার ছেলে সাহাব উদ্দিন, মাহবুব আলম, তারেক ও রহিমসহ সংঘবদ্ধ প্রায় ২০জনের একদল সন্ত্রাসী আমাদের বাড়িতে প্রবেশের চেষ্টা করে। ওই সময় আমার চিৎকারে আমার ভাই রাজাখালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রিয়াজ খান রাজু ঘর থেকে বের হলে দুইজনকে প্রাণে হত্যার চেষ্টা চালায়। ওই সময় ভাই প্রাণে রক্ষা পেলেও আমাকে কুপিয়ে জখম করে চলে যায় তারা। ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি রিয়াজ খান রাজু বলেন, মদ ও ইয়াবা সেবী সন্ত্রাসী নেজাম উদ্দিন ও তার বাহিনীর অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ট। দোকান, ঘরবাড়ি ও রাস্তায় চলাচলকারী লোকদের কাজ থেকে চুরি ও ছিনতাই হলো তাদের প্রধান পেশা। এছাড়াও স্থানীয়রা বসতঘর তৈরি করলে তাদেরকে দিতে হয় চাঁদা। এর আগে প্রবাসী আলী হোসেনের কাজ থেকে চাঁদাদাবী করায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। শাহাদাত হোসেন নামে এক ব্যক্তিও তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে। এছাড়াও গত কিছুদিন আগে নেজাম উদ্দিন গং অবৈধ অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়ে এক পরিবারের উপর হামলা চালালে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। তাদের এমন অপকর্মে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা প্রতিবাদ করলে তাদেরকে মারধর করে আহত করে। সবুজ বাজারে মদ ও ইয়াবা সেবন করে চুরি ছিনতাই শুরু করলে আমার চাচাতো ভাই ইদ্রিসসহ আমরা তার প্রতিবাদ করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে রাতের আধারে বাড়িতে হামলা ও ভাংচুর চালায়। এসময় টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয় তারা। এঘটনার পরপর পেকুয়া থানার এএসআই জসিম একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এঘটনায় আহতকে নিয়ে হাসাপাতালে থাকায় এখনো থানায় এজাহার দিতে পারেনি বলে জানান এ যুবলীগ নেতা। পেকুয়া থানার এএসআই জসিম উদ্দিন বলেন, স্থানীয়রা এই রকম একটি ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। প্রাথমিকভাবে তদন্ত করেছি। এবিষয়ে এখন পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ পাননি বলে জানান ওসি (তদন্ত) কানন সরকার।