ভালো নেই মোটেল প্রবাল ও উপল

0
676

বাংলাদেশ প্রায় প্রতিটি পর্যটন স্পটেই বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন এর হোটেল মোটেল রয়েছে। এর বেশ কটির অবস্থান অত্যান্ত চমৎকার প্লেস এ। আর পর্যটন এর মোটেলগুলোর রুম অনেক বড় এবং এরা একটা কোয়ালিটি মেইনটেন করে চলে। কিন্তু বাংলাদেশের পর্যটন রাজধানী খ্যাত কক্সবাজারে পর্যটন করপোরেশনের অধীনে পরিচালিত মোটেল প্রবাল ও উপল এর অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে।
উপল
বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। বেসরকারি পর্যায়ে চার শতাধিক হোটেল, গেস্ট হাউজ ও রিসোর্ট কম বা বেশি পর্যটকে পূর্ণ থাকলেও উল্টো চিত্র সরকারি মালিকানাধীন দু’টি মোটেলের। পর্যটন করপোরেশনের অধীনে পরিচালিত মোটেল প্রবাল ও উপল এর বেহাল অবস্থা।

পর্যটকরা বলছেন, ঝুঁকিপূর্ণ, জরাজীর্ণ ও সেবার মান ভাল না মোটেল দুটি’র। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি, মোটেলের উন্নয়নে পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে।

১৯৬৭ থেকে ৬৯ সালের মধ্যে পর্যটন শহর কক্সবাজারে নির্মাণ করা হয় মোটেল ‘প্রবাল ও উপল’। মূলত এ মোটেল দুটিকে কেন্দ্র করেই বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে পর্যটন ব্যবসার যাত্রা শুরু। তিন তলা মোটেল দুটিতে কক্ষ আছে ৩৮টি করে, একটি করে রেস্টুরেন্ট ও ডরমেটরি। কিন্তু চার দশকেরও বেশি পুরনো হলেও এর কোন আধুনিকায়ন না হওয়ায় বেহাল দশা এখন।

এ প্রসঙ্গে নিউজচিটাগাং এর নির্বাহি সম্পাদ ও তরুণ লেখক ভ্রমণ পিপাসু মির্জা ইমতিয়াজ শাওন বলেন মোটেল উপলে আমি গত বছরও থেকেছি খেয়েছি, এছাড়া প্রবালে খেয়েছি ছোট খাত সমস্য হলেও ভালোই লেগেছিল কিন্তু এখন শুনছি মোটেলগুলো বেশ জরাজীর্ণ ও সেবার মান পড়ে গেছে। বিষয়টা মোটেই ভালো না। বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সরকারী প্রতিষ্ঠান অবশ্যই থাকা উচিত। এবং দীর্ঘ্য মেয়াদী পরিকল্পনা যাই থাকুক সল্প মেয়াদী কিছু কাজ করা গেলে এগুলো এখনো ব্যবসা করার উপযোগী আছে বলে আমি মনে করি।

বেসরকারি হোটেল, গেষ্টহাউজ ও রিসোর্ট পর্যটকপূর্ণ থাকলেও মোটেল দু’টি থাকে খালি। আর এ জন্য নানা সমস্যার কথা জানালেন মোটেলের কর্মকর্তারা। কক্সবাজার পর্যটন করপোরেশনের ইউনিট ম্যানেজার শ্রীজন বিকাশ বড়ুয়া জরাজীর্ণতার কথা স্বীকার করে জানালেন, মোটেল দু’টির উন্নয়নে পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে।

পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জনবল বৃদ্ধি ও মান উন্নয়ন করা হলে সরকারি এ প্রতিষ্ঠান দুটি লাভের মুখ দেখবে।