বেশি দামের দাপ্তরিক পোশাক পাবেন সরকারী কর্মচারীরা

0
120

সরকারের ১৬ থেকে ২০তম গ্রেডে বেতনভুক্ত কর্মচারীরা এখন থেকে আগের চেয়ে বেশি দামের দাপ্তরিক পোশাক পাবেন।এসব কর্মচারীদের দাপ্তরিক পোশাকের পাশাপাশি অন্যান্য আনুষঙ্গিক দ্রব্যের প্রাপ্যতা ও মূল্য পুনর্নির্ধারণ করে পরিপত্র জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়েছে, দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের সময় নির্ধারিত পোশাক পড়া বাধ্যতামূলক এবং পোশাক ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক জিনিস কেনার ক্ষেত্রে দপ্তর ও সংস্থাগুলোকে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত বিধি-বিধান অনুসরণ করতে হবে।

এর আগে ২০১০ সালের ২৪ নভেম্বর ১৬ থেকে ২০তম গ্রেডে বেতনভুক্ত কর্মচারীদের দাপ্তরিক পোশাক এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক দ্রব্যের প্রাপ্যতা ও মূল্য নির্ধারণ করেছিল সরকার।

পরিপত্র অনুযায়ী, গ্রীষ্মকালের পোশাক হিসেবে পুরুষ কর্মচারীরা প্রতি দুই বছরের জন্য আড়াই হাজার টাকা দামের এক সেট ফুল সাফারি পাবেন। আগে এক হাজার ৬০০ টাকা দামের সাফারি পেতেন তারা।

প্রতি দুই বছরের জন্য আড়াই হাজার টাকা মূল্যের এক সেট হাফ সাফারি পাবেন পুরুষ কর্মচারীরা। আগে এই পোশাকের জন্য দেড় হাজার টাকা দেওয়া হত।

এখন থেকে প্রতি বছর এক হাজার ৮০০ টাকা দামের এক জোড়া কালো অক্সফোর্ড জুতা পাবেন কর্মচারীরা। আগে পেতেন এক হাজার টাকা দামের জুতা। ১০০ টাকার পরিবর্তে কর্মচারীরা ১৫০ টাকায় দুই জোড়া কালো মোজা পাবেন।

আগে বছরে ২০০ টাকা দামের একটি ছাতা দেওয়া হলেও এখন থেকে ৩০০ টাকা দামের কালো রংয়ের ছাতা পাবেন পুরুষ কর্মচারীরা।

শীতকালীন পোশাক হিসেবে পুরুষরা প্রতি দুই বছরের জন্য এক হাজার টাকা মূল্যের নেভি ব্লু ভি-গলা ফুল সোয়েটার এবং ৬০০ টাকা দামের সাদা ফুল শার্ট পাবেন। আগে প্রতি চার বছরের জন্য ৬০০ টাকার একটি সোয়েটার এবং ৪০০ টাকার একটি শার্ট দেওয়া হত।

নারী কর্মচারীরা প্রতি দুই বছরের জন্য গ্রীষ্মকালীন পোশাক হিসেবে পাঁচ হাজার টাকা দামের দুটি জর্জেট ও দুটি সুতি শাড়ি (ব্লাউজ ও পেটিকোটসহ পাবেন)। আগে একই সময়ের জন্য এসব পোশাকের জন্য বরাদ্দ ছিল দুই হাজার ৫৫০ টাকা।

নারীরা প্রতি বছরের জন্য এক হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের দুই জোড়া স্যান্ডেল বা জুতা পাবেন এবং ১৫০ টাকার দুই জোড়া মোজা পাবেন। আগে জুতার জন্য ৯০০ টাকা ও মোজার জন্য ১০০ টাকা পেতেন।

আগে ২০০ টাকা দামের ছাতা দেওয়া হলেও এখন থেকে নারী কর্মচারীরা ৩০০ টাকা দামের একটি করে রঙিন ছাতা পাবেন।

শীতকালীন পোশাক হিসেবে নারীরা দুই বছরের জন্য এক হাজার টাকা দামের একটি শাল বা সোয়েটার পাবেন। আগে প্রতি চার বছরের জন্য ৭০০ টাকা মূল্যের একটি শাল বা সোয়েটার দেওয়া হত।

শীতকালে পড়তে এতদিন ফুলহাতা ব্লাউজ না দেওয়া হলেও এখন থেকে প্রতি দুই বছরের জন্য ৬০০ টাকা মূল্যের একটি করে ফুলহাতা ব্লাউজ পাবেন নারী কর্মচারীরা।

এসব সুবিধার অতিরিক্ত হিসবে ১৮তম গ্রেডের বেতনভুক্ত ‘ডেসপ্যাচ রাইডাররা’ একটি ছাতার পরিবর্তে এক হাজার ২০০ টাকা মূল্যের একটি রেইনকোট পাবেন।

এছাড়া তিন বছরের জন্য দেড় হাজার টাকা মূল্যের একটি হেলমেট এবং প্রতি এক বছরের জন্য এক হাজার টাকা দামের ওয়াটার প্রুফ ব্যাগ পাবেন ডেসপ্যাচ রাইডাররা।

আগে ডেসপ্যাচ রাইডারদের রেইন কোটের দাম এক হাজার টাকা এবং হেলমেটের দাম ছিল এক হাজার ২০০ টাকা।