ভীষণ জনপ্রিয় চোখের রঙ

0
43

চোখ মনের কথা বলে। তাই এ যুগের তরুণ-তরুণীরা নিজের চোখকে করে তুলতে চায় আরো রহস্যময়। চোখের রঙ পাল্টে কন্টাক্ট লেন্স।সাময়িকভাবে বদলে দেয় নিজের অভিব্যক্তি। আর রঙ পাল্টানোর সেই ফ্যাশন ট্রেন্ডের নাম কন্টাক্ট লেন্স।

লেন্সের প্রচলন হলিউড, বলিউডে হলেও আমাদের দেশে লেন্স পরেন তাদের সংখ্যাও নেহায়েতই কম নয়। নরম ও সলিউশন ভেজানো সফট লেন্স সহজেই চোখে পরা যায়। যারা চশমাকে বাড়তি ঝামেলা মনে করেন তাদের জন্য মোটামুটি ফরজ এ কন্টাক্ট লেন্স। এরপর লেন্সের জগতে আরো নতুন সংযোজন হয়েছে কালার লেন্স। ঙিন লেন্রস চোখের জন্য মোটেও ক্ষতিকর নয়। মডেলদের মাঝে তো ভীষণ জনপ্রিয় এসব লেন্স। মেয়েরা বর্তমানে গেটআপ ও মেকআপের সঙ্গে মিলিয়ে চোখের রঙ বেছে নেয়। বর্তমানে প্লাস মাইনাস পাওয়ারসহ ও পাওয়ার ছাড়া সব ধরনের কালার লেন্সই বাংলাদেশে পাওয়া যাচ্ছে।

আমাদের দেশে বেশিরভাগ কন্টাক্ট লেন্স আসে ইন্ডিয়া, ইউএসএ ও ইউকে থেকে। ইন্ডিয়ান কন্টাক্ট লেন্সগুলো তুলনামূলকভাবে সস্তা এবং সাধারণ কসমেটিকসের দোকানেই পাওয়া যায়। তবে লেন্স বেশি সস্তা ও সাধারণ জায়গা থেকে কখনোই কেনা উচিত নয়। তাই লেন্সের খোঁজে আপনাকে যেতে হবে ভালো চশমার দোকানে।

তবে মনে রাখবেন যে কোনো ধরনের লেন্স কেনার আগে চক্ষু চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করা কিন্তু বিশেষভাবে জরুরি বেবি ব্লু, মার্বেল গ্রিন, হানি, গ্রে, গ্রিন, অ্যাশ গ্রিন, ব্রাউন, ব্লু, গ্রিন ভায়োলেট ইত্যাদি কালার এমন বেশ ট্রেন্ডি। পাওয়ার লেন্সের দাম পড়বে ৯০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ টাকা। আর কালার ও পাওয়ারসহ কন্টাক্ট লেন্সের দাম নির্ভর করে আপনার লেন্সের পাওয়ারের ওপর। দাম মোটামুটি ওঠানামা করে ১ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকার মধ্যে।

কিছু সতর্কতা
লেন্স ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করুন, ঘষা লেগে বা নখের আঁচড়ে লেন্স ছিঁড়ে বা কেটে যেতে পারে।
ঘুমানোর সময় অবশ্যই লেন্স খুলে রাখবেন।
চোখে ব্যথ্য থাকলে লেন্স ব্যবহার করবেন না।
কালার লেন্স বাছাইয়ের ক্ষেত্রে চেহারার সঙ্গে মানানসই রঙকে প্রধান্য দিন।
সাজগোছ করার ১০ মিনিট পূর্বে লেন্স পরতে হবে। লেন্স চোখের সঙ্গে মানিয়ে নেবার পরই সাজতে বসবেন।
লেন্স সবসময় পরিষ্কার হাত দিয়ে ব্যবহার করতে হবে।