কম খরচ, সহজে তৈরির ভেন্টিলেটর আনল ইরান

0
89

খুব কম খরচে ও সহজেই তৈরি করা যায় এমন ভেন্টিলেটর সবার জন্য উন্মুক্ত করেছে ইরানি এক অধ্যাপক।

তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সহযোগী অধ্যাপক হাদি মোরাদি ওই ভেন্টিলেটর উৎপাদনে কাজ করছেন।

ভেন্টিলেটরটির মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এটি তৈরির পদ্ধতি ও লাইসেন্স উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। উৎপাদনে কম খরচ হবে এবং সহজেই এটি তৈরি করা যাবে বলে বলছেন তিনি।

কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য খুব দ্রুত এটি তৈরি করা সম্ভব হবে বলে বলেছেন ইনারী ওই অধ্যাপক।

মোরাদির সঙ্গে আরও দুজন কাজ করেছেন ভেন্টিলেটরটি তৈরি করতে। তারা হলেন তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং এর অধ্যাপক এস কে সেতারেহদান এবং ইরান পলিমার অ্যান্ড পেট্রোকেমিক্যাল ইনস্টিটিউটের মোর্তাজা বেহজাদনসাব।

মোরাদি এই ভেন্টিলেটর তৈরির প্রকল্প সম্পর্কে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে। চলুন দেখি কি সেসব।

কোন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে?

সারাবিশ্বের হাসপাতালগুলো ভেন্টিলেটর স্বল্পতায় ভুগছে। যেটি এখন কোভিড-১৯ এর চিকিৎসার জন্য খুবই প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। কিন্তু এর উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় অনেক দেশ প্রয়োজনীয় পরিমাণ অ্যাফোর্ড করতে পারে না। আর হঠাৎ করে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় কম দামের পাওয়াও সম্ভব নয়।

এখানে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে?

এখানে এমন একটি প্রক্রিয়া থাকে যেখানে নির্দিষ্ট পরিমাণ বাতাস রোগীর শ্বাসতন্ত্রে দেওয়া হয়। এটি দেবার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করাই এর মূল কাজ। এটি স্বাস্থ্যসেবাতাদা বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েই তৈরি করতে হয়। তাদের সব ক্রিয়াকলাপ বুঝেই তৈরি করা হয়।

এখানে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার তৈরিতে আমরা অনেক আধুনিক সব প্রযুক্তি ব্যবহার করেছি। এখানে থাকছে টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে। যাতে সহজেই অপারেটর করা যায়।

এর ইমপ্যাক্ট কি হতে পারে?

এখন কোভিড-১৯ রোগের চিকিৎসায় ভেন্টিলেটর কতটা প্রয়োজনীয় সেটা বুঝতে পেরেছি আমরা। ফলে এর মূল কাজ হবে অনেক অনেক প্রাণ রক্ষা করা। কম খরচ আর সহজেই এটি তৈরি করা যাবে। ফলে যে কোনো দেশ এটির প্রক্রিয়া নিয়ে তৈরি করতে পারবে।

চূড়ান্ত উৎপাদনের কত কাছে আপনারা?

ইতোমধ্যে স্থানীয়ভাবে এর উৎপাদন শুরু হয়েছে ১২ এপ্রিল থেকে। তাই বলা যায় অন্যান্য দেশও এটি উৎপাদনে যেতে পারবে সহজেই।