ব্যারিস্টার সানজীদ, অনন্য যোগ্যতার অসাধারণ নিরাহংকারী মানুষ

0
126

জন্মদিন এলেই মানুষের আগ্রহের যেনো শেষ নেই। দিনটি সবার কাছেই অন্যরকম। চট্টগ্রাম শহরে বসে আমরা অনেক কিছুই দেখতে পাই না, বুঝতে পারি না, অনুভবও করি না। ইট পাথরের জগৎটা ওই বস্তুগুলোর মতোই জড় ও কঠিন। আপনি ব্যস্ত জীবনযাপনের মাঝে প্রকৃতির কাছে গিয়ে একটু হাফ ছাড়বেন, তার উপায়ও কিন্তু নেই বললেই চলে।

এগিয়ে চলা বিংশ শতাব্দীর ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে সোশ্যাল মিডিয়াই এখন জীবনের সবটাজুড়ে। তাই বলে কি একটি স্ট্যাটাসই হতে পারে ভালবাসার বহি:প্রকাশ? না, জন্মদিনের শুভেচ্ছা স্ট্যাটাস দিয়েই ভালবাসা হয় না। ভালবাসা থাকে অন্তরে। ভালবাসার মানুষটার প্রতিটা মুহুর্ত হউক আনন্দ ও উদ্ভাসিত আলোর মতো।

বলছিলাম চট্টগ্রাম তথা রাউজানের কৃতি সন্তান ব্যারিস্টার সানজীদ রশিদ চৌধুরীর কথা।

আজ ১৯ সেপ্টেম্বর সানজিদ রশিদ চৌধুরীর শুভ জন্মদিন। সবসময় সদা নিরহংকার, সাদাসিধে মানুষ। দেখেছি উনার উদার মনোভাব, দেখেছি ওনার বিশাল মনের ভান্ডার। অঢেল সম্পত্তির মালিক হওয়া সত্ত্বেও সরল জীবনযাপন তার। অফুরন্ত ভালোবাসার তার। খুব বেশিই ভালোবাসতে জানেন তিনি। নিজের ছোট ভাইয়ের মতোই দেখেন সানজীদ চৌধুরী। খোঁজখবর নেন সব সময়। কখনও কখনও শাসনও করেন মৃদু স্বরে। ওনার মাঝেই খুঁজে পেয়েছি আসল নেতৃত্বের গুনাবলি। যখনই ওনার সঙ্গে বসে খাওয়ার সুযোগ হয়েছে ঠিক তখনই দেখেছি নিজ হাতে আপ্যায়ন করেছেন তিনি।

তরুণ প্রজন্মের অহংকার ব্যারিস্টার সানজীদের মা হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা, বরেণ্য শিক্ষাবিদ, প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত আসনের এমপি, জাতীয় পার্টির সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য প্রফেসর ড.মাসুদা এম.রশিদ চৌধুরী। এই মহিয়সী মানুষটির কাছে আমি মায়ের আদর খুঁজে পেয়েছি। বরেণ্য এই শিক্ষাবিদ করোনাকালীন দুর্যোগ মহামারিতে ফোন করে আমার ও আমার পরিবারের খোঁজ নিয়েছেন বহুবার। এখানেই শেষ নয়, আর একটি বিষয়ে আমি এখনো শিহরিত হই, আর তা হলো তিনি মা দিবসে আমাকে ফোন করে উইশ করেছেন। মায়ের ভালোবাসা দিয়েছেন তিনি। দিয়েছেন অধিকার আর স্নেহ মমতা। লাখ স্যালুট, বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর মাসুদা রশিদ চৌধুরীকে।

জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট এবিএম ফজলে রশিদ চৌধুরী, সানজিদের বাবা। তিনি জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু এরশাদকে খুব ভালোবাসতেন। পল্লীবন্ধুও খুব বেশি পছন্দ করতেন এই মানুষটিকে। এরশাদের রাজনৈতিক জীবনের অনেকটা সময় পরামর্শের অন্যতম আশ্রয়স্থল ছিলেন তিনি।

রাউজানের বর্তমান এমপি রেল মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, সানজিদ চৌধুরীর চাচা। জাতীয় সংসদে ওই পরিবারের অনেক সদস্য রয়েছেন, যা বলে শেষ করা যাবে না। পরিবারটিকে খুব কাছে থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে। মানুষকে এত বেশি ভালোবাসার বিশেষত্ব ওনাদের কাছ থেকে খুঁজে পেয়েছি। দেশের বিখ্যাত কয়েকটা পরিবারের মধ্যে সানজিদ চৌধুরীর পরিবার একটি।

ভালোবাসার মানুষ সানজিদ চৌধুরী জাতীয় পার্টির বর্তমান চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের বিশেষ উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ওয়ান ব্যাংকের পরিচালকের দায়িত্বে নিয়োজিত এবং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী তিনি। আজ আর নয়, লিখে শেষ করা যাবে না সানজিদ চৌধুরীর পারিবারিক ইতিহাস। বেঁচে থাকুক মানবতা, বেঁচে থাকুক তরুণ প্রজন্মের আইডল ব্যারিস্টার সানজীদ রশিদ চৌধুরী। সবশেষে তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি এবং করোনা ভাইরাস মহামারি থেকে মহান আল্লাহ সবাইকে রক্ষা করুন।

শুভেচ্ছান্তে
কাজেমুল হাসান শাহেদ
সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
সদস্য সচিব,জাতীয় ছাত্র সমাজ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, জাতীয় ছাত্রসমাজ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি