৫ এপ্রিল থেকে যাত্রীবাহী ট্রেন-লঞ্চ চলাচল বন্ধ

0
98

মহামারি করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় সোমবার (০৫ এপ্রিল) থেকে সকল যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার (০৫ এপ্রিল) থেকে পরবর্তী সাত দিন যাত্রীবাহী সব ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে।
তবে পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করবে।

শনিবার (০৩ এপ্রিল) রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া, যাত্রীবাহী ট্রেন বন্ধের বিষয়টি বাংলাদেশ রেলওয়ের ফেসবুক পেজেও পোস্ট দিয়ে জানানো হয়েছে৷

পোস্টে উল্লেখ করা হয়, সকল যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। এসময় কেবল পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করবে।

যাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলা হয়, ইতোমধ্যে যেসকল যাত্রী ৫ এপ্রিল ও তার পরবর্তী তারিখের ট্রেনের টিকিট কাউন্টার বা অনলাইন থেকে কিনেছেন তাদেরকে কাউন্টার হতে টিকিট ফেরত দিয়ে টাকা বুঝে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

এর আগে, শনিবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশ রেলওয়ের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার শাহাদাত আলী বাংলানিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

এদিকে, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানান, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে এক সপ্তাহের জন্য সারাদেশে লকডাউন দিতে যাচ্ছে সরকার।

 

প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি ক্রমাগত অবনতি হওয়ায় আগামী সোমবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য সারা দেশে লকডাউন দিচ্ছে সরকার। লকডাউনে মালবা‌হী ছাড়া যাত্রীবাহী সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে।

শনিবার বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান কমডোর গোলাম সাদেক যুগান্তরকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, লকডাউনের কারণে সোমবার সকাল ৬টা থেকে সারা দেশের সব ধরনের যাত্রীবাহী নৌযান বন্ধ থাকবে। তবে মালবাহী জাহাজ চলাচল করবে।

এর আগে সকালে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান, মহামারি সামাল দিতে আবারও ‘লকডাউনের’ ঘোষণা আসছে। তিনি বলেছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সোমবার থেকে সারা দেশে এক সপ্তাহের জন্য লকডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

অপরদিকে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন জানিয়েছেন, শিল্প কারখানা খোলা রেখে সোমবার কিংবা মঙ্গলবার থেকে সারা দেশে একযোগে লকডাউন দেওয়ার বিষয়ে কাজ চলছে। সন্ধ্যায় এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে বলেও জানান তিনি।