দুটো মাস্ক পরাই অতি জরুরি: একটা মাস্কে রক্ষা নেই

0
64

করোনা এখন যেভাবে ছড়াচ্ছে তাতে একটা মাস্কে আর রক্ষা নেই। রাস্তায় বের হলে বা ভিড়ের মাঝে যেতে হলে দুটো করে মাস্ক পরাই বেশি জরুরি। জোড়া মাস্ক কিছুটা হলেও নাক-মুখ দিয়ে ভাইরাস পার্টিকল ঢুকতে বাধা দেবে। কোভিডের ডবল মিউট্যান্ট, ট্রিপল মিউট্যান্ট প্রজাতি ছড়াচ্ছে দ্রুত গতিতে। সংক্রমণের মধ্যেও বাইরে বের হতে হচ্ছে বহু মানুষকে। বাসে-ট্রেনে বা গাড়িতেও চাপতে হচ্ছে। তাই এমন পরিস্থিতিতে নিজেকে কীভাবে সুরক্ষিত রাখবেন তার উপায় বললেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, দুটো করে মাস্ক পরলে সংক্রমণ থেকে অনেকটাই রেহাই মিলবে। ডাবল মাস্কিং কোভিডের সংক্রমণ ৯৬.৪ শতাংশ রুখে দিতে পারে।

ডাবল মাস্কিং কী?
ডাবল মাস্কিং হল দুটো করে ফেস-মাস্ক পরা।
একটার ওপর আরেকটা। নাক ও মুখ ঢেকে প্রথম মাস্কটা একটু টাইট করে পরতে হবে। তার ওপর চাপাতে হবে আর একটা। দুটো মাস্ক একসঙ্গে পরলে তা চেপে বসবে নাক ও মুখের ওপরে। ভাইরাসের কণা চট করে ঢুকতে পারবে না। মাস্কের দুটো ফিল্টার লেয়ার পর পর থাকায়, ভাইরাসের জলকনা মাঝপথেই আটকে যাবে। সংক্রমণ থেকে অনেকটা সুরক্ষা পাওয়া যাবে।

কীভাবে পরবেন দুটো মাস্ক?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুটো মাস্ক পরার নিয়ম আছে। যে কোনও দুটো মাস্ক বেছে নিলে হবে না। নীচের মাস্কটা হতে হবে সার্জিক্যাল মাস্ক, তার ওপররেটা কাপড়ের মাস্ক। আগে সার্জিক্যাল মাস্ক পরে তার ওপরে কাপড়ের মাস্ক পরতে হবে। অথবা দুটো কাপড়ের মাস্কও পরা যেতে পারে। তিন-লেয়ারের সার্জিক্যাল মাস্ক হলে সেটা পরে তার ওপর হাল্কা কাপড়ের বা ফ্যাব্রিকের মাস্ক চাপিয়ে নেওয়া যেতে পারে। দুটো সার্জিক্যাল মাস্ক কিন্তু কখনওই পরা যাবে না, আবার কেউ যদি এন৯৫ মাস্ক ব্যবহার করেন তাহলে তার সঙ্গে অন্য কোনও মাস্ক চলবে না। ডাবল মাস্কিংয়ের সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে মাস্ক নাকের নীচে বা গলায় না ঝোলে।

সিডিসি-র গাইডলাইন অনুযায়ী কী কী করবেন না
দুটো করে মাস্ক পরলে তা নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। কাপড়ের মাস্ক গরম পানিতে ধুয়ে নিলে ভাল হয়। বারে বারে মাস্কে হাত দেবেন না। বাড়ির কারও ব্যবহার করা মাস্ক বা অন্যের পরা মাস্ক একেবারেই চলবে না। ডাবল মাস্কিং করতে হলে দুটো করে মাস্ক জোড়ায় জোড়ায় আলাদা করে রেখে দিন। একই কম্বিনেশন প্রতিদিন না পরে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পরলে ভাল হয়।