স্কিন ক্যান্সারের তিনটি ঝুঁকি

0
68

স্কিন ক্যান্সারের জন্য কাকে দোষারোপ করবেন?একটু সতর্ক থাকলে আপনি খুব সহজেই নিজেকে রক্ষা করতে পারবেন।সূর্যের স্কিন ক্যান্সারকড়া রোদে বের হওয়ার আগে আপনার ত্বকের দাগ গুলো পরীক্ষা করুন।মেলানোমার সাথে স্কিন ক্যান্সার জড়িত।গত দুই দশক ধরে এর হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।আমেরিকান মেলানোমা ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, এটা ১৯৯২ সাল থেকে প্রতি বছর নির্দিষ্ট ভাবে গড়ে ৩.৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সানস্ক্রিনের বিক্রয়ও প্রায় এক-ই ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে (প্রতি বছর প্রায় ৪.২ শতাংশ গতিতে বৃদ্ধি)।কিন্তু সানস্ক্রিনের ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ার পরেও স্কিন স্কিন ক্যান্সারের তিনটি ঝুঁকি ক্যান্সার হওয়ার পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে।অর্থাৎ এখনো কিছু ব্যাপার আছে যেগুলোর প্রতি আমাদের সাবধান হতে হবে।এখানেবা কারণ সম্পর্কে বলা হলো যা আমরা সহজেই বুঝতে পারবো এবং স্কিন ক্যান্সারের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারবো।

১. জলবায়ুর পরিবর্তন

হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন যে, আমাদের ওজোন স্তর পাতলা হয়ে যাওয়ার পিছনে warming গ্রহেরও কিছু অবদান আছে।যখন Stratosphere এর কিছু অংশ ভারী হয়ে ওঠে,তখন Ultraviolet ray স্মৃষ্টি হয়, যা স্কিন ক্যান্সারের জন্য সবচেয়ে দায়ী। জলবায়ুর পরিবর্তনে বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্প সৃষ্টি হয় এবংশক্তিশালী ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। এই জলীয় বাষ্প বাতাসের বিভিন্ন উপাদানের সঙ্গে বিক্রিয়ার মাধ্যমে ক্লোরিন উৎপাদন করে, যার রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলাফল হলো ক্যান্সার।Linda Marsa বলেছেন – “ক্লোরিনের এক পরমাণু এক লাখের বেশি ওজোন অণু ধ্বংস করে দিতে পারে”।তিনি আরো বলেছেন যে আমাদের ওজোন স্তর যেভাবে পাতলা হচ্ছে, তাতে আরো ক্ষতিকর Ultraviolet রশ্মি আমাদের ত্বকে এসে পৌছোবে। এর ফলে শুধুমাত্র ত্বকের ক্যান্সারের হার বৃদ্ধি পাবেনা, ছানিও দেখা দিবে।

২. Compact fluorescent light bulb – স্কিন ক্যান্সারের জন্য শুধু সূর্য দায়ী নয়।নিউ ইয়র্কের State University এবং Stony Brook University-র বিজ্ঞানিদের মতে কম্প্যাক্ট বাল্ব থেকে সূর্যের আলোর মত একই ভাবে Ultraviolet radiation ছড়ায়।যা আমাদের ত্বকের কোষের ক্ষতি করতে পারে এবং কোন কোন ক্ষেত্রে ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।

৩.সঠিক সানস্ক্রিনের অভাব

ত্বকের সুস্থ্যতার জন্য যেসব লোশন ব্যবহার করছেন, তা উল্টো স্কিন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে,যদি আপনি সাবধান না হন।গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে ভিটামিন-এ কে photocarcinogenic বলা হয়েছে-অর্থাৎ সূর্যের ultraviolet রশ্মির উপস্থিতিতে ভিটামিন -এ প্রয়োগের মাধ্যমে ত্বকের নিচে এক ধরনের biochemical পরিবর্তন হয় যা পরে ক্যান্সারে রূপান্তরিত হতে পারে।২০০৯ সালের একটি গবেষণায় দেখা যায় যে, সূর্যালোকের উপস্থিতিতে ভিটামিন-এ প্রয়োগ করলে তা টিউমার এবং বিভিন্ন ক্ষত তৈরি করতে পারে অথবা এগুলোর আকার বাড়িয়ে দেয় এবং খারাপ পরিস্থিতির দিকে যায়। Food and Drug Administration (FDA)এর ভিটামিন-এ বিষয়ক একটি গবেষণায়-ও একই কথা বলা হয়।আবার কোন কোন ক্ষেত্রে বলা হয়েছে যে ভিটামিন-এ যে স্কিন ক্যান্সারের জন্য দায়ী এটা এখনো ঠিক মতো জ়ানা যায়নি তারপরেও সাবধানে থাকার জন্য এমন সানস্ক্রিন ব্যবহার করা উচিৎ যেগুলোতে বেশি পরিমাণে ভিটামিন -এ নেই।

নিজেকে কিভাবে সুরক্ষিত রাখবেন ?

আপনার ত্বক ঢেকে রাখুন! সব সময় বড় হাতার পোশাক, প্যান্ট এবং এমন পোশাক পরিধান করুন যা আপনাকে সূর্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করবে।

গ্রীষ্মকালে সূর্যের UV-রশ্মির ক্ষতি থেকে আপনার চোখ রক্ষা করার জন্য সবসময় সানগ্লাস ব্যবহার করুন।

CFL বাল্ব সব সময় হাতের কাছ থেকে বেশ দুরে রাখুন, এমনকি এক ফুট পরিমান কাছাকাছি কোন বাল্বের নিচে বসা উচিৎ নয়।

কাঁচের lampshade ব্যবহার করুন, যা কাপড় বা প্লাস্টিকের চেয়েও অনেক বেশী রেডিয়েশন ফিল্টার করতে পারে।

প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করুন।

ভিটামিন-এ যুক্ত পণ্য সাবধানতার সাথে ব্যবহার করুন এবং কেনার আগে অবশ্যই লেবেলের লেখা instruction ভালভাবে পড়ে দেখুন।অবশ্যই ভিটামিন-এ গ্রহণ করার আগে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন, কারন অত্যধিক পরিমাণ শরীরের জন্য বিষাক্ত হতে পারে।